তারিখ: ২ জুন ২০২৫
দেশের অন্যতম বেসরকারি কুরিয়ার সার্ভিস স্টেডফাস্ট কুরিয়ার এর বিরুদ্ধে এবার এক গ্রাহক আনলেন ব্যক্তিগত অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ। হারিয়ে যাওয়া পণ্য এবং মোবাইল মিনিট অপচয়ের মাধ্যমে আর্থিক ক্ষতির কথা তুলে ধরেছেন তিনি।ভুক্তভোগী দাবি করেন, স্টেডফাস্ট কুরিয়ারের কাস্টমার কেয়ার সেবায় বারবার ফোন করেও কোনো প্রতিনিধি তার সঙ্গে কথা বলেননি। বরং “সব কল সেন্টার বিজি, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন” — এই বার্তা শোনানোর পর পরপর দীর্ঘ ১০ মিনিট গান চালিয়ে তার মিনিট কেটে নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন:> “কাষ্টমার কেয়ার প্রতিনিধি আমার ফোন রিসিভ করে সে যখন কথানবলা শুরু করবে, তখন থেকে টাকা কাটবে। এটাই নিয়ম। সকল কল সেন্টারে একই নিয়ম।কিন্তু এই স্টেডফাস্ট নামক কুরিয়ারে কাষ্টমার কেয়ারে ফোন দিচ্ছি বলে যে সব কল সেন্টার বিজি।ওয়েট করেন—এই বলে আমারে ১০ মিনিট যাবৎ গান শুনাচ্ছে।কেটে দিয়ে মোবাইলে মিনিট চেক করে দেখি ১০ মিনিট কেটে গেছে।এভাবে ১০ বার কল দিয়েও ওদের সাথে কথা বলতে পারলাম না অথচ আমার ৫০ মিনিট শেষ।এটা কোন নিয়মরে ভাই, তোরা কথা বলবিনা, ওয়েটিং এ রেখে গান শুনাবি, আবার এদিক দিয়ে মিনিট সব কেটে নিবি — এটা কেমন কথা?”
ভুক্তভোগী আরও জানান, শুধু মোবাইল মিনিটের অপচয়ই নয়, তার পাঠানো ৭ লিটার ভোজ্যতেলও গন্তব্যে পৌঁছায়নি। কুরিয়ার অফিস থেকে তিনি কোনো সহায়তা পাননি, বরং “গান ও নীরবতা” ছাড়া আর কিছুই মেলেনি।
প্রশ্ন ওঠেছে: এটা কি ইচ্ছাকৃত প্রতারণা, না অব্যবস্থাপনার নামান্তর?বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্রাহকের সম্মতি ও পরিষেবা না দিয়েই মিনিট খরচ করানো টেলিকম আইন লঙ্ঘনের আওতায় পড়তে পারে। এভাবে গ্রাহকের ক্ষতি করে প্রতিষ্ঠান লাভবান হলে তা অর্থ কেলেঙ্কারির আওতায়ও পড়ে।
সূত্র TBN desk