|| দা বেঙ্গল নিউজ || ১৪ আগস্ট ২০২৫ || এমএইচএম ||
সম্প্রতি মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক জনাব আসিফ মাহতাব উৎস এবং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষক জনাব মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেনকে হত্যার হুমকি দিয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ছাত্র সাফওয়ান চৌধুরী রেবিল (অ্যান্টার্কটিকা চৌধুরী) দেশজুড়ে আলোচনায় আসেন। বিষয়টি পুলিশের কাছেও অভিযোগ আকারে জানানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি তাকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করে।
কিন্তু এখানেই ঘটনা থেমে থাকেনি। গত ১২ আগস্ট ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ছাত্র রেদোয়ান আহমেদও একই ধরনের হত্যার হুমকি দেন, আসিফ মাহতাব উৎসের ক্যারিকেচার অঙ্কন করেন এবং সাফওয়ানের কর্মকাণ্ডের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানান। তার প্রোফাইল থেকে জানা যায়, তিনি অতীতে ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন এবং বর্তমানে “বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলন” (Revolutionary Student-Youth Movement) নামক একটি সংগঠনের সক্রিয় সদস্য, যা মাওবাদী সন্ত্রাসী মতবাদ ধারণ করে বলে অভিযোগ রয়েছে।
একইভাবে, ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের ছাত্র হাদিউজ্জামান আসাদও আসিফ মাহতাব উৎসকে হত্যার আহ্বান জানান এবং সাফওয়ানের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেন। পূর্বের সংবাদ ও প্রোফাইল বিশ্লেষণে জানা যায়, তিনি একসময় বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন – বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের কোষাধ্যক্ষ ছিলেন এবং বর্তমানে একই “বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলন”-এর সাথে যুক্ত
।
নতুন সংযোজিত আহ্বানে বলা হয়েছে, উল্লিখিত দুই শিক্ষার্থীকে যেখানেই পাওয়া যাবে, সেখানেই সিটিজেন অ্যারেস্ট করার জন্য সাধারণ নাগরিকদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। দণ্ডবিধি (CRPC 1898) এর 59 ধারায় বাংলাদেশে সিটিজেন অ্যারেস্ট বৈধ। খুনের হুমকির অপরাধে তাদের নাগরিক গ্রেপ্তারের পর পুলিশের কাছে হস্তান্তরের আহ্বান জানানো হয়েছে।
আহ্বানকারী পক্ষ জানিয়েছে, পুলিশ নিজ উদ্যোগে গ্রেপ্তার করলে পরবর্তী পদক্ষেপ শান্তভাবে নজরে রাখতে হবে, তবে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা যাবে না। সম্মানিত শিক্ষকদের নিরাপত্তার স্বার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, “বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলন” ইতোমধ্যে সাফওয়ান চৌধুরী রেবেলের পক্ষে বিবৃতি দিয়ে সন্ত্রাসবাদকে প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছে, যা শিক্ষক ও ছাত্র সমাজের জন্য উদ্বেগজনক।