
মংডু, আরাকান (মিয়ানমার):
মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যের মংডুর উত্তরাংশে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর উপর নিপীড়ন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি প্রতিদিন রোহিঙ্গা দোকানগুলোতে হামলা চালিয়ে অস্ত্রের মুখে খাদ্যসামগ্রী লুট করে নিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সেনারা দোকান থেকে খাবার খেয়ে অর্থ না দিয়ে চলে যায়। দোকানদাররা অর্থ দাবি করলে তাদের মারধর করা হয়। এছাড়া গ্রামে ঢুকে কৃষিজমি থেকে শাকসবজি লুট, ঘরে ঘরে তল্লাশি, এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও রয়েছে।
বিশেষ করে “বাউংজার“, “মিংগলারজি“, “থাও ওলা” এবং “থারেক ওক” গ্রামে আরাকান আর্মির দমন-পীড়ন আরও তীব্র। সেনারা প্রায়ই মাতাল অবস্থায় এসব অপরাধ করে এবং কেউ প্রতিবাদ করলে অপমান ও হন।
স্থানীয় রোহিঙ্গাদের মতে, আরাকান আর্মির লক্ষ্য হলো—যেসব রোহিঙ্গা এত নির্যাতনের পরেও মাতৃভূমি ছাড়েনি, তাদের উপর জুলুম বাড়িয়ে দেওয়া, যাতে তারা বাধ্য হয় দেশত্যাগে।
এটি একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের স্পষ্ট উদাহরণ। তৎক্ষণাৎ আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ প্রয়োজন—রোহিঙ্গাদের জীবন, সম্পদ ও সম্মান রক্ষায়।
সূত্র: আরাকান নেটওয়ার্ক