ইসরাইলি বর্বরতার মাঝে আরব দেশগুলোর উৎসব উদযাপন ঘিরে সমালোচনার ঝড় সামাজিক মাধ্যমে
গাজায় ইসরাইলি হামলার বিভীষিকার মধ্যেই সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত হয়েছে ডিজে পার্টি, যা ঘিরে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে। পবিত্র মদিনা শহরের খুব কাছেই, আল-উলার জাবাল আল-ফিল অঞ্চলে আয়োজিত হয় এই পার্টি। রাতভর পাশ্চাত্য সুরে তরুণ-তরুণীদের নাচ-গানে মুখর ছিল এলিফ্যান্ট রকের প্রাঙ্গণ।
৫৫০ দিনের বেশি সময় ধরে জ্বলছে গাজা।
ইসরাইলি বোমার আঘাতে প্রতিদিনই নিহত হচ্ছেন নিরীহ ফিলিস্তিনিরা। ধ্বংসস্তূপে প্রিয়জনদের মরদেহ খুঁজে চলেছেন স্বজনেরা। স্বজন হারানোর আর্তনাদে ভারি হয়ে উঠেছে আকাশ।
একটি মুঠো খাবার, এক চামচ বিশুদ্ধ পানি কিংবা ন্যূনতম চিকিৎসার জন্য হাহাকার করছে গাজার মানুষ। হাসপাতাল, স্কুল, মসজিদ—সব ধ্বংস করে দিয়েছে নেতানিয়াহুর বাহিনী।
এমন সময়ে সৌদি আরবের এই আয়োজন নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে বিশ্ব মুসলিম জনতা।
সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—“মানবতার এই সংকটেও কি আনন্দ-উৎসব বন্ধ রাখা যায় না?”
শুধু সৌদি নয়, কাতারেও চলতি মাসে জাঁকজমকপূর্ণ আতশবাজির উৎসব আয়োজন করা হয়। লুসাইল শহরে ড্রোন শো, অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী ও আলোর খেলা—সব মিলিয়ে কোটি কোটি টাকা খরচ করে আনন্দ করেছে দেশটি।
বাংলাদেশসহ বিশ্বের বহু দেশে যখন ফিলিস্তিনের পক্ষে বিক্ষোভ হচ্ছে, তখন কিছু আরব দেশে নাচ-গান ও উৎসবে মগ্ন থাকার এই প্রবণতা মানবিক মূল্যবোধকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।