জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের মূলনীতি হল:“Use of force only in self-defense and defense of the mandate” তবে প্রশ্ন হচ্ছে, “যদি মিশনের প্রস্তুতি এবং কাঠামোই হয় সশস্ত্র, হেলিকপ্টার গনশিপ, এবং বিদ্রোহ দমন—তবে তা কি কেবল আত্মরক্ষার মধ্যে পড়ে?”
বাস্তবতা যা বোঝায়—এটা যুদ্ধ, যদিও নাম দেওয়া হয় ‘শান্তিরক্ষা’ বাংলাদেশ বিমান বাহিনী MINUSCA মিশনে অংশ নিচ্ছে MI-171Sh সশস্ত্র হেলিকপ্টার ইউনিট সহ, যা রয়েছে: নাইট ভিশন যুদ্ধ সক্ষমতা,সাইড গন মাউন্টেড অস্ত্র (Door Gunner), গ্রাউন্ড আক্রমণে সহায়তা করার সামর্থ্য Source: ISPR, Air Force UN Mission Profile
প্রতিস্থাপনের ঘোষণায় বলা হয়েছে: “আফ্রিকান রিপাবলিকে বিবাদমান সংঘাত নিরসনে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী দক্ষতা, আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সাথে ভূমিকা রাখবে।” DBC News, ১৯ জুন ২০২৫
এখানে “বিবাদমান সংঘাত নিরসন” মানে স্পষ্টতই বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণ বা প্রতিরোধ—আর তা করতে গেলে “আক্রমণাত্মক প্রতিরোধ (offensive defense)” ছাড়া উপায় থাকে না।
MINUSCA মিশন বাস্তবে কি করে?MINUSCA শান্তিরক্ষীরা পূর্বে বহুবার সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে সরাসরি গুলিবিনিময়ে জড়িয়েছে। বিশেষ করে Wagner-backed মিলিশিয়া এবং Séléka ও Anti-Balaka বিদ্রোহীদের সঙ্গে।Source: UN News Report – “MINUSCA troops engaged in multiple fire-exchange with militias”, 2021
যুদ্ধ প্রমাণিত হয় ৩টি দিক থেকে:
1. সশস্ত্র প্রস্তুতি (Gunship, Ground troops)
2. বিদ্রোহ দমন ও প্রতিরোধ (Offensive posture)
3. মিশনের মাঠে সংঘর্ষের ঐতিহাসিকতা
তাই বলা যায়—যদিও এটি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন, বাস্তবে সেখানে অংশগ্রহণকারী বাহিনী যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত, এবং কার্যত সংঘর্ষে অংশগ্রহণ করছে। নাম ‘শান্তিরক্ষা’ হলেও কাজ ‘সীমিত যুদ্ধ’।
রেফারেন্স
🔗 UN Mandate: peacekeeping.un.org/en/principles
🔗 MINUSCA News Firefight: UN News Archive, 2021
🔗 DBC Report: ১৯ জুন ২০২৫
🔗 ISPR Bangladesh Profile: ispr.gov.bd