কাশ্মীর, ২৩ এপ্রিল: জম্মু ও কাশ্মীরে সম্প্রতি স্বাধীনতাকামীদের হামলায় নিহতদের বিষয়ে বিবৃতি দিয়েছে পাকিস্তানভিত্তিক স্বাধীনতাকামী সংগঠন দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (টিআরএফ)। গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, নিহতরা কেউ সাধারণ পর্যটক ছিলেন না, বরং তারা ভারতের একটি গোপন নিরাপত্তা সংস্থার সদস্য ছিলেন। বুধবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, পেহেলগামের ওই হামলার দায় স্বীকার করে টিআরএফ জানিয়েছে, “ওই ব্যক্তিরা গবেষণার ছদ্মবেশে এলাকায় এসেছিলেন, তারা একটি গোপন সংস্থার হয়ে কাজ করছিলেন। আমাদের টার্গেট সাধারণ মানুষ নয়, বরং দখলদার শাসনের অংশ যারা—তাদের দিকেই আমাদের প্রতিরোধের তীর।”
টিআরএফ আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, “এই হামলা দিল্লির জন্য একটি সতর্কবার্তা। দখলদার কৌশল ও তাদের সমর্থকদের বিরুদ্ধেই আমাদের লড়াই। ভবিষ্যতে এই কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে।”
ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে হামলার ঘটনার পরপরই ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কাশ্মীর সফরে যান এবং এলজি মনোজ সিনহা ও মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার সঙ্গে বৈঠক করেন।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও সৌদি সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরে হামলার তীব্র নিন্দা করেন। তিনি বলেন, “এই নৃশংস হামলার পিছনে যারা রয়েছে, তাদের শাস্তি দেওয়া হবে। সন্ত্রাসীদের কোনো ষড়যন্ত্র সফল হবে না। ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী লড়াই আরও জোরদার হবে।” স্বাধীনতাকামী সংগঠনের তিনি এই মন্তব্য করেন।
এই হামলার ঘটনা কাশ্মীর পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।