সম্প্রতি ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান তার এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক বার্তায় বলেন, “যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হও। কেউ যেন আমাদের পরীক্ষা করার ধৃষ্টতা না দেখায়।” তিনি ইঙ্গিত দেন যে তুরস্ক সবধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং দেশের সব বাহিনী ও নিরাপত্তা সংস্থা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
এরদোয়ান বলেন, “আমরা সব ধরনের সম্ভাবনার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। কেউ যেন আমাদের পরীক্ষা না করে।” তিনি আরও বলেন, “ইরানের আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপ একটি অত্যন্ত স্বাভাবিক, বৈধ ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অধিকার।” এরদোয়ান ইসরায়েলকে পরোক্ষভাবে অভিযুক্ত করে বলেন, “যে রাষ্ট্র পারমাণবিক অস্ত্র ধারণ করে, আন্তর্জাতিক কোনো নিয়মকানুনের তোয়াক্কা করে না, তার আগ্রাসন গোটা অঞ্চলকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।”
রাষ্ট্রপতি এরদোয়ান আরো হুঁশিয়ারি দেন, “আমরা ইসরায়েলের ইরানের উপর চালানো সন্ত্রাসী আক্রমণগুলো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। এর প্রভাব তুরস্কের ওপর পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সব প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।” একই সাথে তিনি জানান, তুরস্ক ইতিমধ্যে মাঝারি ও দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের গতি বাড়িয়েছে, যাতে করে দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা যায়।
এরদোয়ানের এই বক্তব্য স্পষ্ট করে যে তুরস্ক মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছে এবং নিজেদের নিরাপত্তার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি পরিস্থিতিকে “রক্ষার দায়িত্ব” হিসেবে দেখছেন এবং সংঘর্ষ এড়াতে আন্তর্জাতিক সমাজকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাচ্ছেন।