ঢাকা, ১৫ অক্টোবর ২০২৫:
Bangla Outlook অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত “The Quiet Architect of a Cross-Border War: Imran Haider and the making of the Indo-TTP pipeline from Bangladesh” শিরোনামের প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশের নাগরিক ও ইসলামি শিক্ষাবিদ মাওলানা আবু সাঈদ।
তিনি বলেন, ১২ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত প্রতিবেদনে তার ও আরও কয়েকজন আলেমের সম্পর্কে “সম্পূর্ণ বানোয়াট, প্রমাণবিহীন ও উদ্দেশ্যমূলক” তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। আবু সাঈদের পাঠানো লিখিত বিবৃতিতে বলা হয়, প্রতিবেদনে উল্লিখিত ব্যক্তিদের কাউকেই সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়নি বা প্রতিক্রিয়া জানানোর সুযোগ দেওয়া হয়নি, যা “Press Council Code of Conduct for Journalists, 1993 (Clause 3, 4, 5)”–এর স্পষ্ট লঙ্ঘন।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রতিবেদনে “credible intelligence report” ও “field investigation” নামে যেসব সূত্রের উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলো যাচাইযোগ্য নয় এবং কোনো সরকারি বা স্বীকৃত সংস্থার নথিও প্রকাশ করা হয়নি। তার দাবি, সাংবাদিক বেনামি সূত্রের অপব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেছেন, যা মানহানিকর অপরাধের শামিল (বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ৫০০ ও ৫০১ ধারা অনুযায়ী)।
আবু সাঈদ আরও জানান, অতীতে তিনি রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হাতে গুম, বেআইনি আটক ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, এবং এ বিষয়ে গঠিত গুম তদন্ত কমিশনে তার অভিযোগ গৃহীত হয়েছে। তিনি বলেন, “এই প্রেক্ষাপটে পুনরায় আমার নাম ও ছবি ব্যবহার করে মিথ্যা অভিযোগ ছড়ানো শুধু মানবাধিকার লঙ্ঘন নয়, আমার পরিবারের জন্যও প্রত্যক্ষ নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করছে।”
বিবৃতিতে তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিবেদনে তার ইসলামি প্রতিষ্ঠান পরিচালনার বিষয়টি নিয়ে “ইসলামোফোবিক” মন্তব্য করা হয়েছে, যা তার ও তার প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করেছে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ফেলেছে।
তিনি প্রতিবাদপত্রে তিন দফা দাবি উত্থাপন করেছেন:
১. উক্ত প্রতিবেদন ওয়েবসাইট ও সামাজিক মাধ্যম থেকে সরিয়ে নেওয়া।
২. প্রতিবেদনের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা ও প্রতিবাদ বিবৃতি সমান গুরুত্বে প্রকাশ।
৩. ভবিষ্যতে এমন রিপোর্ট প্রকাশের আগে যথাযথ যাচাই ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ।
প্রতিবাদপত্রে আবু সাঈদ বলেন, “আমি সাংবাদিকতার স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তবে সেই স্বাধীনতার নামে কোনো ব্যক্তি বা আলেমদের বিরুদ্ধে প্রমাণবিহীন প্রচারণা গ্রহণযোগ্য নয়।”
….