ধর্ম নিয়ে কটূক্তি: মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আইন উপদেষ্টাসহ ৪ জনকে লিগ্যাল নোটিশ
স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: ২৫ নভেম্বর ২০২৫, ১৮:৪১ (আপডেট: ২৬ নভেম্বর ২০২৫, ৬:৩০)
সংক্ষেপ: ইসলাম ও অন্যান্য ধর্মকে কটুক্তিকারীদের বিরুদ্ধে বিশেষ আইন (অধ্যাদেশ) জারি করে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দাবি করে আইন উপদেষ্টা, আইন সচিব, ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ও ধর্ম বিষয়ক সচিব—মোট চার কর্মকর্তাকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. জাকির হোসেন।
রাজধানী — ইসলাম ও অন্যান্য ধর্ম নিয়ে কটুক্তিকারীদের বিরুদ্ধে বিশেষ আইন (অধ্যাদেশ) জারি করে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দাবি করে আইন উপদেষ্টা, আইন সচিব, ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ও ধর্ম বিষয়ক সচিব—মোট চার জনকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্টে সক্রিয় এক আইনজীবী মো. জাকির হোসেন ডাকযোগে এই নোটিশ প্রেরণ করেন বলে সংবাদে জানানো হয়েছে। নোটিশে অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখিত চার জন হলেন — আইন উপদেষ্টা, আইন সচিব, ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ও ধর্ম বিষয়ক সচিব। (নোটিশে ব্যক্তিগত নাম উল্লেখ করা হয়নি।)
নোটিশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ যেখানে প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ ইসলাম ধারণ করে। মসজিদে একত্রে নামাজ আদায় ও নবীর উপর দরূদ পাঠের মতো ধর্মীয় অনুশীলন এখানে প্রচলিত। এসব প্রেক্ষাপটে বাউল শিল্পী আবুল সরকারের প্রকাশ হওয়া ভিডিওতে মহান আল্লাহ ও নবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি করা হয়েছে—নোটিশকারীর ভাষায় এটি “অত্যন্ত দুঃখজনক এবং জঘন্য”। ফলে, ধর্মীয় অনুভূতিসম্পন্ন বিষয়কে রোধ করতে এবং ভবিষ্যতে এমন কটুক্তি প্রতিরোধে বিশেষ (স্পেশাল) আইন-অধ্যাদেশের মাধ্যমে কঠোর শাস্তির বিধান করা প্রয়োজন—এমনই দাবি করা হয়েছে লিগ্যাল নোটিশে।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে দ্রুত সময়ের মধ্যে ধর্মীয় অনুভূতিকে আঘাত করার ঘটনা বাড়তে থাকবে; তাই দেশকে রক্ষা করতে পদক্ষেপ হিসেবে স্পেশাল আইনশাসন জরুরি বলে দাবি করা হয়েছে।
নোটিশে উল্লিখিত মূল দাবি ও বক্তব্য (সারসংক্ষেপ):
ধর্ম অবমাননার বিরুদ্ধে বিশেষ আইন (অধ্যাদেশ) জারি করে কটুক্তিকারীদের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান করতে হবে।
এ ধরণের কটুক্তি রোধ করতে সর্বোচ্চ শাস্তি পর্যন্ত বিধান রাখা উচিত বলে বিবেচনা করা হয়েছে।
প্রেক্ষাপট হিসেবে সামাজিক প্রতিক্রিয়া ও ধর্মীয় সংবেদনশীলতা তুলে ধরেছেন নোটিশকারীরা।
নোটিশ পাঠানোর পর সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরগুলো থেকে আপাতত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বিষয়টিতে আইনগত পরামর্শ ও প্রতিক্রিয়ার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের প্রতিউত্তর মেলার আভাস নেই—তবে প্রয়োজনে তাদের মন্তব্য সংবাদে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
পাঠকের প্রতি নোট: ধর্ম ও মতপ্রকাশ সংক্রান্ত আইন, তার সীমা ও প্রয়োগ নিয়ে সমাজে বিভিন্ন মত রয়েছে; একই সঙ্গে উন্মুক্ত বিতর্কে আইনি ও সংstitutional প্রক্রিয়া অনুসরণ করা জরুরি। এই ঘটনা সম্পর্কে সরকারি প্রতিক্রিয়া বা আইনি পদক্ষেপ হলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও বিচারবিভাগের মাধ্যমে তা জানানো হবে।