‘গুলি করি। মরে একটা। আহত হয় একটা। একটাই যায় স্যার, বাকিডি যায় না।’ এই কথাগুলো মনে আছে? জুলাইয়ের উত্তাল দিনে বাংলার কসাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালকে কথাগুলো বলছিল এক পুলিশ কর্মকর্তা।
কিভাবে গুলি করে তাজা প্রাণগুলোকে নাই করে দেওয়া হচ্ছে সেই ভিডিও দেখিয়ে দেখিয়ে কামাল এবং তার সঙ্গীদেরকে এসব বলছিলেন পুলিশের সেই গর্বিত খুনী। আর কামালের পাশে তখন যে কজন মানুষ দাঁড়িয়ে এই গুলি করে মেরে ফেলার ভিডিও দেখছিলেন, তাদেরই একজন ছিলেন কামালের পিএস আলমগীর।
এই আলমগীর হোসেন পাঁচ তারিখে ছাত্র জনতার প্রতিরোধের মুখে কামালের বাড়ি ঘেরাওয়ের সময় পালিয়েছিলেন। পাঁচ তারিখ পর্যন্ত সে কামালের পাশে থেকে সব অপকর্মে সঙ্গী ছিলেন।
৫ আগস্টের পর থেকে কর্মস্থলে না এসেও মন্ত্রীর পিএস পদের বেতন নিয়েছেন। সরকার তাকে এই পদে কর্মরত দেখিয়েছে। ৯ ফেব্রুয়ারি তিনি চাকরিতে ফিরলে তাকে একটা দফতরে উপপরিচালক করে পদায়ন করা হয়।
এরপর এক সাপ্তাহ না পেরোতেই ১৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের পরিচালক বানিয়ে দেওয়া হয়েছে। টাকার কারখানায় পোস্টিং আরকি। সমকাল আজকে এই রিপোর্ট করেছে।
স্বরাষ্ট্র ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও তারা এই কর্মকর্তা সম্পর্কে কোনও তথ্য পেতে ব্যর্থ হয়েছে। ইন্টেরিম, এই আমলাতন্ত্রকে সামলান। কারা এগুলো করছে খোঁজ নেন। নিজেদের দায়ও চিহ্নিত করুন।
খুনীর পুনর্বাসন হতে দেওয়া যাবে না।