ঢাকা—সম্প্রতি ধর্ষণ মামলায় গৃহশিক্ষক জাহিদুলের মৃত্যুদণ্ডের রায় দেশে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তবে তার পরিবার ও পরিচিতজনদের দাবি, এটি একটি ষড়যন্ত্রমূলক রায়, যেখানে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।
জাহিদুলের স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি হেফাজতে ইসলামের একটি মিছিলে অংশগ্রহণ করেছিলেন, এবং সেই সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে আটক করেছিল। এরপর দীর্ঘদিন ধরে তাকে বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়। শেষ পর্যন্ত ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগ এনে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলো, যা তার পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে গভীর প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
এদিকে, ধর্ষণ মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া নিয়ে দেশজুড়ে যখন নানা বিতর্ক ও ভীতি ছড়িয়ে পড়েছে, তখন এই মামলায় দ্রুততম সময়ে মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকর করার বিষয়টি আরও বেশি প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে। সাধারণত ধর্ষণ মামলার বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে দীর্ঘ সময় লাগে, অথচ এই মামলায় দ্রুত রায় ঘোষণা করা হয়েছে, যা নিয়ে জনমনে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।
অন্যদিকে, বিশ্লেষকদের মতে, আইনের সঠিক প্রয়োগ ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হলে বিচার ব্যবস্থা বিতর্কিত হয়ে পড়বে। প্রকৃত অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত হওয়া উচিত, তবে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন ষড়যন্ত্রের শিকার না হন—এটাই সকলের প্রত্যাশা।