ঢাকায় ভ্যাটিকান রাষ্ট্রদূত আর্চবিশপ কেভিন র্যান্ডালের উদ্যোগে আয়োজিত তথাকথিত ‘পোপ ফেস্ট’ উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বারিধারার এক হোটেলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে পরওয়ার উপস্থিত হয়ে ভ্যাটিকান রাষ্ট্রদূতের হাতে জামায়াত আমির শফিকুর রহমানের পক্ষ থেকে পোপের উদ্দেশে লেখা অভিনন্দন বার্তা তুলে দেন। বার্তায় মুসলিম ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের পারস্পরিক শ্রদ্ধা, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং বিশ্ব মানবতার কল্যাণে একযোগে কাজ করার আশা প্রকাশ করা হয়।
কিন্তু এখানে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—একটি দল যখন নিজেদেরকে কেবল “ইসলামি আন্দোলন” বলে দাবি করে, তখন তারা কীভাবে খ্রিস্টান ধর্মীয় উৎসব উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশ নেয় এবং তাদের ধর্মীয় নেতাকে সরাসরি অভিনন্দন জানায়?
ইসলামের ইতিহাসে মুসলিমদের জন্য সবসময় স্পষ্ট নির্দেশনা ছিল—অন্য ধর্মের পূজা, উৎসব বা ধর্মীয় বিশেষ আয়োজনকে সমর্থন বা অংশগ্রহণ করা ইসলামের মৌল নীতির সাথে সাংঘর্ষিক। অথচ জামায়াতের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রকাশ্যে সেই আয়োজনেই যোগ দিলেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত থাকলেও, একজন ইসলামি আন্দোলনের নেতার অংশগ্রহণকে সাধারণ মুসলিমরা দেখছেন ধর্মীয় আপসনীতি ও ইসলামি আন্দোলনের স্বকীয়তা বিসর্জনের উদাহরণ হিসেবে।
ফলে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—জামায়াত আসলে কি ইসলামি আদর্শেই কাজ করছে, নাকি পশ্চিমা কূটনীতি ও অন্য ধর্মের সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ইসলামি পরিচয়কে ব্যবহার করছে?
Hello
helloalert(1)