ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্যানেলে মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক পদে যুক্ত হওয়া ফাতিমা তাসনীম জুমা প্রকাশ্যে বলেছেন—
“ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী যারা পর্দা করে না, যারা লিবারেল, তাদের জন্য একটা সেইফ স্পেস তৈরি করতে হবে। আমি তাদের প্রতিনিধি; আমি ছাত্রশিবিরের প্রতিনিধি।”
এমন বক্তব্য ঘিরে মুসলিম জনমনে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে—ইসলামী পরিচয়ধারী একটি দল কীভাবে পর্দা-অনুশাসন অস্বীকারকারী ‘লিবারেল’ ভাবধারার মুখপাত্রকে নিজের প্রতিনিধি বানায়? পর্দা কুরআন-সুন্নাহর নির্দেশিত শালীনতার অংশ—এখানে দলীয় নীতি কোথায়, নাকি ইসলামের নাম ব্যবহার করে ভোট-রাজনীতির সুবিধাবাদই আসল লক্ষ্য?
ফাতিমা তাসনীম জুমা আবারো জানান, “আমি শিবির বা ছাত্রী সংগঠনের কেউ নই; আমি কমপ্লিট লিবারেল। শিবিরের সঙ্গে জোট করলে জয়ের সম্ভাবনা বেশি—এই বিবেচনায় এসেছি।”
অর্থাৎ, আদর্শ নয়—‘জয়ের সম্ভাবনা’-ই মুখ্য! ইসলামের দাবি-পালনের বদলে ‘সেইফ স্পেস’ বানানোর নামে পর্দাবিরোধী চর্চাকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা—এ কি ইসলামী রাজনীতির সঙ্গে নির্মম সাংঘর্ষিক নয়?
একজন তরুণের ক্ষোভ—“ইসলামের নামে রাজনীতি করে যদি পর্দাবিরোধীদেরই প্রতিনিধি বানানো হয়, তবে কালকে ইসলামী শিক্ষার জায়গায় কী বাকি থাকবে?”
শিবির যদি সত্যিই ইসলামী আদর্শে অটল থাকে, তবে পর্দা-শালীনতা, নীতি-আদর্শ ও প্রার্থী-বাছাইয়ে তা স্পষ্ট করে দেখাতে হবে। নইলে ইসলামের নাম ব্যবহার করে ভণ্ডামি ও স্বার্থের রাজনীতি—এই অভিযোগ থেকে তারা মুক্তি পাবে না।
ফাতিমা তাসনীম জুমা এর বক্তব্য আমরা দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস এর প্রতিবেদন থেকে সংগ্রহ করেছি।