1. salmanahmedbijoy66@gmail.com : TBN Desk 4 : TBN Desk 4
  2. sjundulla@gmail.com : TBN Desk 6 : TBN Desk 6
  3. mds436634@gmail.com : TBN Desk 7 : Muhammad Abdul Azeem
  4. islammdriajul046@gmail.com : Md. Riajul Islam : Md. Riajul Islam
  5. smmehedi2022@gmail.com : TBN Desk 3 : TBN Desk 3
  6. mimsuhail2@gmail.com : Mim Suhail : Mim Suhail
  7. necharlenovo@gmail.com : TBN Desk : TBN Desk
  8. editor@thebengalnews24.com : The Bengal News : The Bengal News
  9. voiceofbengal313@gmail.com : Voice of Bengal : Voice of Bengal
  10. sabidahmed5457@gmail.com : TBN Desk 5 : TBN Desk 5
  11. arafattanvir12345@gmail.com : TBN Desk 1 : TBN Desk 1
নারীরা প্রকাশ্যে নু* বললে তা হয় সুশীলতা, পুরুষ বুঝাতে গিয়ে দু* বললে হয় অশ্লীলতা!
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বিশ্বসেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় আবারও বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. সাইদুর রহমান তেল ছাড়াও স্বর্ণ–গ্যাস–খনিজে সমৃদ্ধ ভেনেজুয়েলা: কেন বৈশ্বিক শক্তির কৌশলগত কেন্দ্রে দেশটি ইব্রাহিম (আ.)–এর কোরবানির চেয়েও জামায়াত নেতার কোরবানি বড়’ মন্তব্য: জামায়াত নেতার বক্তব্য ঘিরে বিতর্ক ভেনেজুয়েলার তেল খাতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘একচেটিয়া অংশীদারিত্ব’ দাবি আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন: চীন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে দুই বাংলাদেশি যুবক আটক বিএসএফ নর্দা মাদ্রাসার ঘটনায় বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ তুললেন রুহুল আমিন সাদি বাসচালককে মারধরের অভিযোগে সাপাহার সার্কেল এএসপির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ মাদ্রাসায় চুরি করতে যাওয়া চোরের বিচার না করে, চোরের গায়ে পানি দেওয়ার কারণে ৩ নাবালক শিশুর ৭ দিনের কারাদণ্ড ভাইরাল দাবি ফ্যাক্ট চেক: সিরিয়ার নতুন ব্যাংকনোটে কালিমা যুক্ত হয়নি কওমি সার্টিফিকেটের মূল্য কোথায়?—১৫ বছরের শিক্ষাও বিদেশে অচেনা

নারীরা প্রকাশ্যে নু* বললে তা হয় সুশীলতা, পুরুষ বুঝাতে গিয়ে দু* বললে হয় অশ্লীলতা!

TBN Desk
  • প্রকাশিত সময় : শুক্রবার, ৭ মার্চ, ২০২৫
  • ৭২ Time Views

নারীবাদীরা প্রকাশ্যে “নু…” বলতে পারবে, কিন্তু কোনো পুরুষ প্রকাশ্যে “দু…” উচ্চারণ করলে তাকে হ্যারাসার বলা হবে। কিন্তু নারীবাদীরা যখন “নু…” শব্দযুক্ত প্ল্যাকার্ড নিয়ে দাঁড়ালো, তখন তাদেরকে কেউ হ্যারাসার বললো না!

অর্নব নামে যে ছেলেটা গতকালকে ঐ আচরণ করলো, আমি বলবো—এর পুরো দোষ নারীবাদীদের। এক হাতে তালি বাজে না। নারীবাদীরা উস্কানি দেয়ায় সমাজে এ ধরনের প্রতিক্রিয়া হচ্ছে। প্রতিক্রিয়া ঠেকাতে আগে উস্কানিদাতা নারীবাদ নিষিদ্ধ করতে হবে, পুরুষকে হ্যারাসার বানিয়ে দমন করে লাভ নেই।

লক্ষ্য করবেন, অর্নব নামক ছেলেটার কথায়—সবাই “দু…” উচ্চারণটাই দেখছে। কিন্তু তার আগে সে ঐ মেয়েটার একটা কথা উল্লেখ করছিল—“My Life, My Rules”—যা নারীবাদীদের প্রিয় স্লোগান। অর্থাৎ নারীবাদ দিয়েই কিন্তু অর্নবকে উস্কানি দেয়া হয়েছে।

এজন্য একটা কথা বলি সব সময়—“নারীবাদের রেডিক্যাল আচরণের প্রভাবে পুরুষবাদের উদ্ভব ঘটবে।” আর পুরুষবাদের বৃদ্ধি ঘটলে সমাজে নারী নির্যাতন বাড়বে। এর জন্য উস্কানিদাতা হিসেবে নারীবাদীরাই দায়ী আগে।

তবে সমাজ একটা জিনিস ভুল করে। নারীবাদীদের প্রচারণায়—নারী আর নারীবাদীকে গুলিয়ে ফেলে। সে নারীবাদীদের পক্ষ হয়ে যায়, কিন্তু নারীর পক্ষ নিতে পারে না। যে যদি সত্যিই নারীর পক্ষ নিতো, তবে—

নেকাব পরিহিতা ছাত্রীকে যখন হেনস্তা করা হচ্ছে, ক্লাস থেকে বের করে দেয়া হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতো।
চেহারা না দেখানোর কারণে যে পর্দানশীন নারী ১৬ বছর ধরে নাগরিকত্ব পাচ্ছে না, তার পক্ষে কথা বলতো।

কিন্তু সেটা সে করছে না। সে করছে, যখন—
নারীবাদী লতা সমাদ্দারের টিপ নিয়ে কথা বলছে পুলিশ সদস্য নাজমুল, তখন নাজমুলের চাকরি খেয়ে দিচ্ছে।
নর্থ সাউথের বয়ঃবৃদ্ধ শিক্ষক ড. নূর মোহাম্মদ মল্লিক নোমান ইব্রাহীম নবীর সময়কার টিপ নিয়ে ঘটনা বলছেন—ক্লাসে সেই ঘটনা শুনে এক নারীবাদী ছাত্রী মনে করছে তার টিপ নিয়ে বলা হচ্ছে। বয়ঃবৃদ্ধ শিক্ষকের চাকরি খেয়ে দিচ্ছে।
অর্নবের মত এক সামান্য চাকুরে সহকারী বাইন্ডার, সেও নারীবাদীকে নিয়ে কথা বলায় তার চাকরি খেয়ে দেয়া হচ্ছে। গ্রেফতার করে জেলে পুরছে।

মানে নারীবাদের বিপক্ষে বললেই তাকে সমাজ চরমভাবে নিগৃহ করছে।

এক্ষেত্রে যারা ভাবছেন, আপনি নারীর পক্ষে দাঁড়াচ্ছেন, নিপীড়কের বিরুদ্ধে দাঁড়াচ্ছেন—বিষয়টি আসলে তেমন না।

আপনি দাঁড়াচ্ছেন মূলত নারীবাদীদের পক্ষে, নারীদের পক্ষে না। আপনি যদি সত্যিই নারীদের পক্ষে দাঁড়াতেন, তবে—
প্রকৃতপক্ষে যে সমস্ত নারী নির্যাতিত, নিপীড়িত হচ্ছে, তাদের পক্ষে দাঁড়াতেন।
কোনো বখাটে নারীবাদীকে কে বিড়ি খেতে বাধা দিলো, কোন নারীবাদীর টিপ নিয়ে কে কথা বললো—সেটা নিয়ে প্রতিবাদ করতেন না।

হ্যাঁ, আপনার নারীদের প্রতি সিমপ্যাথি আছে, নারীরা প্রিভিলেজ পাবে—সব ঠিক আছে। কিন্তু নারীর সিমপ্যাথি আর প্রিভিলেজ তো নারীবাদীরা নিয়ে যাচ্ছে, প্রকৃত নারীরা তো পাচ্ছে না।

তবে একটা কথা মনে রাখবেন—“সব ভুলের মাসুল দিতে হয়।” যারা আজকে নারীবাদীদের প্রিভিলেজ দিচ্ছেন, তারা আসলে বানরকে ঘাড়ে তুলছেন।

বানর ঘাড়ে উঠে কী করবে, তা কিন্তু আপনি জানেন না! এই নারীবাদীরা আপনার ঘরকে অতিষ্ঠ করে তুলবে। এমন সব আজগুবি অধিকার চেয়ে বসবে, আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না।

যেমন—
তারা বিয়ের পর পরকীয়া করার অধিকার চাইবে।
“মেরিটাল রেপ” আইন চাইবে।
অভিযুক্ত পুরুষের বিনাবিচারে পুরুষাঙ্গ ক*র্তন চাইবে।

এসব দাবিও এক সময় আপনাকেই পূরণ করতে হবে। তাই নারীবাদীদের প্রিভিলেজ দেয়ার আগে চিন্তা করুন।

Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© 2026, All rights reserved | TBN
Developed by ItNex BD