দা বেঙ্গল নিউজ ||TBN desk||
ঢাকা, ২৭ আগস্ট ২০২৫: চন্দ্রনাথ পাহাড় ঘিরে সরকারের শীর্ষ উপদেষ্টাদের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। সমালোচকরা বলছেন—ধর্মীয় সম্প্রীতির নামে আসলে মুসলমানদেরই ভিলেন বানানো হচ্ছে, অথচ প্রকৃত উসকানি এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে।
সম্প্রতি তিন উপদেষ্টা বৈঠক শেষে ঘোষণা দেন, “অন্য ধর্মের স্থাপনায় হামলা কিংবা ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্টের কোনো চেষ্টা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ বক্তব্যকে ঘিরেই প্রশ্ন উঠেছে—
•এখানে কার প্রতি ইঙ্গিত করা হলো?
•কবে মুসলমানরা চন্দ্রনাথ পাহাড় বা ওই মন্দিরে হামলা করেছে?
মুসলিম জনতা বলছেন, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ একটি দেশে সরকারের একজন ধর্ম উপদেষ্টা হয়ে মুসলমানদেরই ভিলেন বানানো আসলে এক ধরনের আত্মঘাতী নীতি।
একইসাথে মুসলিম জনতার অভিযোগ—
• ট্রান্সজেন্ডার জঙ্গী ও হত্যার প্ররোচনার মতো ঘটনা ঘটলেও সরকার নীরব থেকেছে।
• সমকামিতা ও জেন্ডার ডাইভার্সিটির মতো পশ্চিমা এজেন্ডা খোলাখুলি প্রমোট করা হচ্ছে।
• অথচ মুসলমানদের বিরুদ্ধে অনাস্থা তৈরি করতে সরকারি পোস্টে “উসকানি”র দোহাই দেওয়া হচ্ছে।
মুসলিম জনতার মতে, সরকারের এই নীতি মুসলিম সমাজকে বিভ্রান্ত করার পাশাপাশি সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের প্রতি অবিচার।
মুসলিম জনগণরা বলছেন—সরকার যদি সত্যিই ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা করতে চায়, তাহলে প্রথমে বিকৃত সংস্কৃতি, সমকামীতা প্রচার ও ট্রান্সজেন্ডার উসকানির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। মুসলমানদের দোষারোপ করা নয়, বরং তাদের নায্য দাবি শোনা জরুরি।