দোয়ারাবাজারের বোগলাবাজারে নিয়মিত অফিস করছেন এই আওয়ামী সন্ত্রাসী, অভিযোগ উঠেছে থানার ওসিকে দিয়েছেন কোটি টাকা
দোয়ারাবাজার উপজেলার প্রভাবশালী চেয়ারম্যান মিলন খান-এর বিরুদ্ধে উঠেছে চাঞ্চল্যকর সব অভিযোগ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্ডার ব্যবসা, চোরাচালানসহ এমন কোনো অবৈধ ব্যবসা নেই—যেখান থেকে তিনি কোটি কোটি টাকা আয় করেননি। প্রতিটি চোরাচালানের গাড়ি থেকে প্রতিরাতে আদায় করা হতো ১০০, ২০০ বা ৫০০ টাকা এবং গরু থেকে আদায় করেন ১০০০ টাকা করে—এমন তথ্য জানিয়েছে একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী।
সরকার পরিবর্তনের পর যেখানে অন্যান্য চেয়ারম্যানদের অনেকেই পরিষদে বসার সাহস পাননি, সেখানে মিলন খান নিয়মিত অফিস করছেন দোয়ারাবাজারে।
তার এক ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, বর্তমান দোয়ারাবাজার থানার ওসিকে প্রায় কোটি টাকা ঘুষ দিয়েছেন মিলন খান, যাতে তাকে গ্রেফতার না করা হয় বা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হয়।
এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, বোগলার বিএনপির একাধিক নেতাকে লাখ লাখ টাকা দিয়েছেন মিলন খান, যেন তারা তার বিরুদ্ধে মুখ না খোলেন। কোন কোন নেতাকে এই টাকা দেওয়া হয়েছে, সেটিও প্রকাশ করেছেন তার ঘনিষ্ঠ একজন।
👉 পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশিত হবে সেইসব নেতার নাম ও লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য।