নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৪ জুন ২০২৫
রাঙামাটির মৌনপাড়া এলাকায় সেনাবাহিনী ও পাহাড়ি সন্ত্রাসী সংগঠন ইউপিডিএফ (প্রসীত গ্রুপ)-এর মধ্যে সশস্ত্র সংঘর্ষ হয়েছে। স্থানীয় সূত্র ও নিরাপত্তা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, “সুদর্শন” নামে ইউপিডিএফ-এর এক শীর্ষস্থানীয় কমান্ডার সেনা সদস্যদের মোবাইলে খোলাখুলি হুমকি দেওয়ার পরপরই এ সংঘর্ষের সূচনা ঘটে।
২৪ জুন ভোরে মৌনপাড়া স্কুল এলাকাতে ইউপিডিএফ সদস্যদের অবস্থান নিশ্চিত করে সেনাবাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালায়। সেনাদের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা প্রথমে গুলি চালালে পাল্টা জবাবে প্রায় ২০ মিনিট ধরে গোলাগুলি চলে। এতে একজন সেনা সদস্য আহত হন। অভিযানে তিনজন ইউপিডিএফ সদস্যকে আটক করা হয়।

আটককৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে:
নিরাপত্তা সূত্রে জানা যায়, আটক ইউপিডিএফ সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, অবৈধ অস্ত্র ব্যবসা ও ভয়ের রাজত্ব কায়েম করে আসছিল।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে পাহাড়ি অঞ্চলের পরিস্থিতি দিনদিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। সেনাবাহিনীর মতো রাষ্ট্রীয় শক্তিকেও প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়ার সাহস দেখাচ্ছে সন্ত্রাসীরা—এটি নিঃসন্দেহে একটি গভীর উদ্বেগজনক বিষয়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা, অন্যথায় পাহাড়ে সন্ত্রাসের দমন অসম্ভব হয়ে উঠবে।