1. salmanahmedbijoy66@gmail.com : TBN Desk 4 : TBN Desk 4
  2. sjundulla@gmail.com : TBN Desk 6 : TBN Desk 6
  3. mds436634@gmail.com : TBN Desk 7 : Muhammad Abdul Azeem
  4. islammdriajul046@gmail.com : Md. Riajul Islam : Md. Riajul Islam
  5. smmehedi2022@gmail.com : TBN Desk 3 : TBN Desk 3
  6. mimsuhail2@gmail.com : Mim Suhail : Mim Suhail
  7. necharlenovo@gmail.com : TBN Desk : TBN Desk
  8. editor@thebengalnews24.com : The Bengal News : The Bengal News
  9. voiceofbengal313@gmail.com : Voice of Bengal : Voice of Bengal
  10. sabidahmed5457@gmail.com : TBN Desk 5 : TBN Desk 5
  11. arafattanvir12345@gmail.com : TBN Desk 1 : TBN Desk 1
শফিউর রহমান ফারাবির বক্তব্যে তোলপাড়: ইসলামি দলগুলোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বাউফলে জামায়াতের নির্বাচনী মিছিলে হামলা, নারীসহ অন্তত ২৫ জন আহত জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক: বঙ্গভবনের সহকারী প্রোগ্রামার ছরওয়ারে আলম আটক আওয়ামীপন্থী ফ্যাসিস্টদের নিয়ে সালাহউদ্দিন আম্মারের অবস্থান ঘিরে প্রশ্ন ও আম্মারের জবাব এপস্টিন ফাইলসে বিস্ফোরক অভিযোগ: প্রকাশ পেলো মানবাধিকারের বুলি আওরানো বিশ্বনেতাদের অন্ধকার অধ্যায় আফগানের দাসপ্রথা নিয়ে মিথ্যা নিউজের পর আলোচনায় এপস্টিন ফাইলস। ইসলামি আমিরাতের সদ্য প্রকাশিত দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধের শাস্তির তালিকা প্রকাশ আফগানিস্তানের নতুন ফৌজদারি আইন নিয়ে গণমাধ্যমে প্রচার হয়েছে মিথ্যা তথ্য টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ: নাইকোকে ৪২ মিলিয়ন ডলার জরিমানার নির্দেশ আন্তর্জাতিক আদালতের মুফতি আব্দুল্লাহ মায়মূনকে ডিটেনশনের অভিযোগ, জামিন কার্যকরের পর নিখোঁজের দাবি মজলুমদের পাশে দাঁড়াতে দান-সাদাকাহর আহ্বান: বৈষম্যহীন কারামুক্তি আন্দোলন

শফিউর রহমান ফারাবির বক্তব্যে তোলপাড়: ইসলামি দলগুলোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

TBN Desk
  • প্রকাশিত সময় : রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৩১ Time Views
Oplus_131072

ঢাকা প্রতিনিধি –  ইবনু সাবিল | ২৪-০৮-২৫

জেল থেকে বের হয়েই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন লেখক ও অনলাইন কর্মী শফিউর রহমান ফারাবি। তিনি বলেছেন—
“আপনারা ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করেন, ধর্মের নামে ভোট চান। কিন্তু ধর্মের জন্য যারা জেলে যায়, তাদের পাশে থাকেন না! ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করার আপনাদের কোন অধিকার নেই।”

ফারাবির এই বক্তব্যে ইসলামি রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর নেতারা ফারাবির বক্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

আমিরুল ফেরদৌসের প্রতিক্রিয়া

ইসলামী যুব আন্দোলন বান্দরবান জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম ফেরদৌস নিজের ফেসবুক এক পোস্টে কাশিমপুর কারাগারের প্রসঙ্গ টেনে বলেন:

“আসলে কারাগারগুলোতে হয় কী? ওই হাই সিকিউরিটি জেলগুলোতে যারা যায় তারা সবাই ব্রেইন ওয়াশড হয়ে যায়।”

তিনি অভিযোগ করেন, কারাগার থেকে বের হয়েই তারা ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলো এবং মূল ধারার উলামায়ে কেরামকে টার্গেট করেন, অভিযোগ করেন তাদের জন্য কেউ কিছু করেনি।

ফেরদৌস আরো বলেন: “ভাই, আপনাদের জন্য আমরা কী করব! আপনাদের দা/য়ে/শ, আ/ল-কা/য়ে/দা ও টি/টি/পি থেকে অনুপ্রাণিত কর্মপদ্ধতি আমাদের নয়। আমরা দেওবন্দের মানহাজে রাজনীতি করি। তাই আপনাদের মতো কারাগারে হামলা চালিয়ে কাউকে মুক্ত করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।”

তার এ বক্তব্যে তিনি সরাসরি ফারাবিকে দা/য়ে/শ বা আ/ল-কা/য়ে/দা টি/টি/পির সাথে সম্পৃক্ত বলে ইঙ্গিত দেন।

বিতর্কের জন্ম এখানেই: বিশ্লেষকরা বলছেন, ফারাবিকে দায়েশ ট্যাগ করা বাস্তবতার সাথে মেলে না। কারণ, ফারাবির লেখালেখি বরাবরই নাস্তিক্যবাদ ও মুক্তমনার আক্রমণের জবাব স্বরূপ ছিল।

যখন মুক্তমনাদের নামে ব্লগাররা রাসূল ﷺ এর পবিত্র স্ত্রীদের নিয়ে কটুক্তি করত, তখন ফারাবিই তাদের বিরুদ্ধে ফেসবুকে লেখালেখি করতেন। তার লেখায় যুক্তি দিয়ে নাস্তিকদের মোকাবিলা করাই ছিল মূল বিষয়।

এমন একজন ব্যক্তিকে দায়েশ বা আল-কায়েদার সাথে তুলনা করা জনমনে প্রশ্ন তুলেছে। জনতার প্রশ্ন:
“যারা নাস্তিকদের বিরুদ্ধে কথা বলে বা লেখে তারা যদি ভালো না হয়—তাহলে ভালো কারা?”

ইসলামি দলগুলোর নীরবতা নিয়ে সমালোচনা

বিশ্লেষকদের মতে, ফারাবি যা বলেছেন তা সত্য। কারাগারে যারা ইসলাম, ঈমান ও কওমি চেতনার কারণে বন্দী আছেন—তাদের কারোরই কোন খোঁজখবর নেয়নি কোনো ইসলামি রাজনৈতিক দল।
যদিও কারাগারে ফারাবির সাথে দেশের অনেক বড় ইসলামি নেতারা একই সেলে ছিলেন, তারপরও রাজনৈতিক নেতারা কারাগার থেকে বের হয়ে এইসব তরুণদের কথা ভুলে গেছেন।

এটাও সত্য যে রাষ্ট্র এসব মানুষকে “সন্ত্রাসী” বলে প্রচার করেছে এবং রাজনৈতিক নেতারাও সেই বর্ণনাকে বিশ্বাস করে নিয়েছেন। অথচ অধিকাংশ মামলাই ছিল সাজানো ও মিথ্যা—যা প্রমাণিত হয়েছে অনেক ক্ষেত্রে খালাস পাওয়ার মাধ্যমে।

ফারাবির বক্তব্য বনাম বাস্তবতা

খুনি হাসিনা সরকারের সময় ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রচারকারী তরুণদের ওপরই সবচেয়ে বেশি দমননীতি চালানো হয়েছে।

ইসলামি রাজনৈতিক দলগুলোও একই বিবেচনায় তাদের থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছে।

ফলে বন্দীদের কাছে আওয়ামী প্রশাসন আর ইসলামি রাজনৈতিক দল—দুজনের অবস্থান প্রায় একই মনে হয়েছে।

শফিউর রহমান ফারাবির মুক্তি নতুন করে একটি প্রশ্ন উত্থাপন করেছে—

১ “ইসলামের জন্য যারা বন্দী হন, তাদের পাশে আসলেই কে থাকে?”
২ “ইসলামি দলগুলো যদি শুধু ভোটের জন্য ধর্মকে ব্যবহার করে, তবে বন্দী ইসলামপ্রাণ তরুণদের প্রতি তাদের দায়িত্ব কী?”

Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© 2026, All rights reserved | TBN
Developed by ItNex BD