দা বেঙ্গল নিউজ ।। ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ।।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ বিধিমালার নতুন আপডেটে সংরক্ষিত হয়েছে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষার নতুন পদ। তবে এই পদগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘ট্রান্সজেন্ডার’ প্রার্থীদের জন্য আলাদা কোটা।
নতুন নিয়োগ বিধিমালায় বলা হয়েছে, সহকারী শিক্ষকের ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে এবং ৭ শতাংশ কোটা মুক্তিযোদ্ধা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের জন্য নির্ধারিত। বিশেষ করে সহকারী শিক্ষক (সংগীত) ও সহকারী শিক্ষক (শারীরিক শিক্ষা) পদে সর্বোচ্চ বয়স সীমা বাড়ানো হয়েছে ৩২ বছর পর্যন্ত।
এদিকে, মুসলিম জনতা এবং অভিভাবকদের মধ্যে প্রশ্ন তুলেছে, সরকারের এই পদক্ষেপ কি আসলেই শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্য, নাকি পশ্চিমা নীতির প্রভাব বিস্তার ও ট্রান্সজেন্ডারদের সমাজে নরমালাইজেশন এবং সংগীতকে হালাল হিসেবে মান্য করার প্রচেষ্টা?
এক প্রশ্নবিদ্ধ বিষয়ে একজন অভিভাবক বলেন, “শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত বাধ্যতামূলক করা, আর একই সঙ্গে ট্রান্সজেন্ডারদের জন্য কোটা নির্ধারণ করা—এর উদ্দেশ্য কি আমাদের সংস্কৃতি ও শিক্ষার মূল মান বজায় রাখা, নাকি কোন বহিরাগত এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা?”
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এবং জানিয়েছেন, নতুন পদগুলোর লক্ষ্য শিক্ষাব্যবস্থায় বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তি বাড়ানো। তবে মুসলিম জনতা ও সমাজ বিশ্লেষকরা এই পদক্ষেপের প্রভাব নিয়ে অনেকে সমালোচনা করছে।