ভারতের কলকাতার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নোটিসবোর্ডে সম্প্রতি ঝুলতে দেখা গেছে একটি চাঞ্চল্যকর পোস্টার, যেখানে লেখা ছিল: “কুকুর এবং মুসলিমদের প্রবেশ নিষিদ্ধ“।
এ ঘটনা সমাজের এক গভীর সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে ‘ডিহিউম্যানাইজেশন‘ বা মানবিক মর্যাদা বিলুপ্তির প্রক্রিয়া এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। ইতিহাস বলছে, কোনো জনগোষ্ঠীকে সামাজিকভাবে পশুর স্তরে নামিয়ে আনার পরই শুরু হয় চূড়ান্ত নিপীড়ন ও সহিংসতা।
অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, উপমহাদেশের ভবিষ্যতে মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য কী অপেক্ষা করছে? এই ধরনের বিদ্বেষমূলক কর্মকাণ্ড কি কোনো বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ?
বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান সংকট মোকাবিলায় মুসলিম সমাজকে নিজের পরিচয় ও ধর্মীয় চেতনাকে আরও দৃঢ়ভাবে ধারণ করতে হবে। ইসলামি মূল্যবোধ ও ঐক্যের শক্তিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করাই হতে পারে এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে টিকে থাকার পথ।
একই সঙ্গে বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, “সেক্যুলারিজমের নামে বিশ্বাসের শিকড় ছিন্ন করা বা আত্মপরিচয় বিসর্জন দেওয়া এই সংকটে কোনো সমাধান নয়; বরং নিজেদের ঐতিহ্য ও বিশ্বাসের ওপর অবিচল থাকা এখন সময়의 দাবি।”
পোস্টারটি ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে নিন্দার ঝড় উঠলেও, সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।