📍 দোহা ও বাগদাদ | ২৩ জুন, সোমবার ইরান কাতার ও ইরাকে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার (২৩ জুন) কাতারের রাজধানী দোহায় অবস্থিত একটি
সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাশাকাহ প্রদেশে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে আজ ভোরে মর্টার ও রকেট হামলার ঘটনা ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই হামলাকে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা
আমরা আগে থেকেই প্রস্তুত ছিলাম। ফর্দো, নাতানজ ও ইসফাহান—তিনটি কেন্দ্রই খালি করে ফেলা হয়েছিল। ওয়াশিংটন, ২১ জুন:যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু কেন্দ্রে সফলভাবে হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছেন সাবেক মার্কিন
তীব্র হামলা-পাল্টা হামলায় রক্তাক্ত দুই দেশ, নারী-শিশু সহ নিহত শতাধিক মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও দখলদার ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাতে পার হয়েছে পাঁচদিন। দুই দেশের অনড় অবস্থান ও পাল্টা প্রতিশোধের কারণে হতাহতের
বর্তমান বিশ্বে এক আলোচিত ঘটনা হলো ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘর্ষ।অনেক সাধারণ মুসলমান আজ এই যুদ্ধকে দেখে আবেগে বলে ফেলছেন, “ইরান তো ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লড়ছে, নিশ্চয়ই ওরা আমাদের পক্ষে!” কিন্তু
ইসরায়েল সম্প্রতি ইরানের উপর চালানো সামরিক অভিযানের নাম দিয়েছে “Rising Lion”। এই নামটি শুধুমাত্র একটি কোডনেম নয়—এর মধ্যে লুকিয়ে আছে তিনটি গভীর স্তরের বার্তা যা ধর্মীয় বিশ্বাস, ঐতিহাসিক প্রতীক এবং
ইসরাইলের নজরদারি বা হ্যাকিংয়ের আশঙ্কায় ইরানের সাইবার নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ইন্টারনেট-সংযুক্ত ডিভাইস ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। মঙ্গলবার ইরানের রাষ্ট্রীয় ফার্স নিউজ এজেন্সির দেওয়া তথ্য ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব
সম্প্রতি ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (IRGC) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মোহসেন রেজায়ী দাবি করেন যে, “ইসরায়েল যদি ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করে, তবে পাকিস্তানও পাল্টা পারমাণবিক জবাব দেবে”—এমন প্রতিশ্রুতি পাকিস্তান
পশ্চিমা বিশ্ব এবং আঞ্চলিক প্রতিপক্ষদের চাপ ও সন্দেহের প্রেক্ষাপটে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুড পেজেশকিয়ান স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, তেহরান পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে চায় না। সোমবার (১৬ জুন) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন,
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরান ইতোমধ্যেই ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ১১ ধাপে হামলা চালিয়েছে, যেখানে ব্যবহার করা হয়েছে ৩৭০টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১০০টির বেশি সামরিক ড্রোন। ইরানি প্রতিরক্ষা