মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরান ইতোমধ্যেই ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ১১ ধাপে হামলা চালিয়েছে, যেখানে ব্যবহার করা হয়েছে ৩৭০টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১০০টির বেশি সামরিক ড্রোন। ইরানি প্রতিরক্ষা
আন্তর্জাতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে আফগানিস্তান ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে—এমন বার্তা এসেছে তালেবান সরকারের জনসংযোগ বিভাগ থেকে। টুইটার (বর্তমানে X)-এ একটি পোস্টে তালেবান পিআর বিভাগ জানায়, “যদি প্রয়োজন
আন্তর্জাতিক ডেস্কনতুন এক তথ্যে জানা গেছে, ইসরায়েলি বিমান বাহিনী শনিবার ইরানের ইসফাহান শহরের একটি ড্রোন প্রস্তুতকারক কারখানায় নির্দিষ্টভাবে হামলা চালিয়েছে। এই আক্রমণ ‘Operation Rising Lion’–এর অংশ হিসেবে হয়েছে, যেখানে নেটানিয়াহুর
আন্তর্জাতিক ডেস্কইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের তেলআবিব সংলগ্ন উপকূলীয় শহর বাত ইয়ামে অন্তত ৬১টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন শহরের মেয়র. বিভিন্ন আবাসিক ভবন ও বাণিজ্যিক স্থাপনায় বিস্ফোরণের প্রভাব
আন্তর্জাতিক ডেস্কইরানের চালানো সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইসরায়েলে কমপক্ষে ১০ জন নিহত হয়েছেন, এবং আহত হয়েছেন অন্তত ২৫০ জন। এদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
ইসরায়েলের অভ্যন্তরে ইরানের পাল্টা হামলায় এখন পর্যন্ত ৫টি আঘাতের খবর নিশ্চিত করেছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে তেল আবিবে ৪টি এবং আশদোদে ১টি হামলা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। স্থানীয় সময় রাতেই
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে, যখন ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা ইসরায়েলের দিকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (IDF) নিশ্চিত করেছে, তারা এই হামলা প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে। প্রতিবেদন
আন্তর্জাতিক ডেস্কআজ শনিবার বিকেল থেকে ইরান একযোগে উত্তর ও দক্ষিণ ইসরায়েলে আক্রমণ শুরু করেছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, উত্তর সীমান্ত দিয়ে একাধিক ড্রোন প্রবেশ করছে, অন্যদিকে দক্ষিণাঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হচ্ছে
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ইসরায়েলি বিমান বাহিনী আজ ইরানের উত্তরাঞ্চলীয় ইসফাহান শহরে তীব্র এবং পরিকল্পিত বিমান হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় একাধিক সামরিক স্থাপনা, কমান্ড সেন্টার, ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি এবং নজরদারি রাডার সিস্টেম
আন্তর্জাতিক ডেস্কএকজন জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ওপর হামলার বিষয়টি “নিষিদ্ধ তালিকায় নেই”। অর্থাৎ, ইসরায়েল ভবিষ্যতে খামেনিকেও সরাসরি হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করতে পারে বলে