মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই ইসরায়েলের একটি টার্গেটেড ড্রোন হামলায় ইরানের দুই শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ইরানের জেনারেল স্টাফের গোয়েন্দা প্রধান গোলাম রেজা মেহরাবি এবং অপারেশনসের ডেপুটি চিফ মেহদি রাব্বানি। আন্তর্জাতিক বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
Time এবং Financial Times-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলাটি ছিল পরিকল্পিত এবং একেবারে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত। ইসরায়েলি হামলায় এই দুই জ্যেষ্ঠ কমান্ডার নিহত হওয়াকে “কৌশলগত সাফল্য” হিসেবে দেখা হলেও, ইরানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় এটি একটি বড় ধাক্কা।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ঘটনা ইরানের সামরিক কাঠামোতে নেতৃত্ব সংকট ও তথ্যগত অচলাবস্থার জন্ম দিতে পারে। বিশেষত, জেনারেল মেহরাবি ছিলেন ইরানের সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান সংগঠক, আর রাব্বানি সামরিক অভিযানের সরাসরি তত্ত্বাবধায়ক।
ইসরায়েল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে হামলার দায় স্বীকার না করলেও পশ্চিমা পর্যবেক্ষকরা একে ইসরায়েলের চূড়ান্ত ‘ডিটারেন্স কৌশল’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। অন্যদিকে, ইরানের অভ্যন্তরে এ নিয়ে ব্যাপক অসন্তোষ ও প্রতিশোধ স্পৃহা তৈরি হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া না এলেও, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড (IRGC) সম্ভাব্য পাল্টা হামলার ইঙ্গিত দিয়েছে।
এই ঘটনার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও বেড়ে গেছে এবং অনেকেই আশঙ্কা করছেন, আসন্ন দিনগুলোতে সংঘাত আরও বিস্তৃত আকার নিতে পারে।
রেফারেন্স:
Time
Financial Times