সিলেট, খুলনা, গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে আয়োজিত প্রতিবাদ কর্মসূচি চলাকালে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় ৪৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সদর দপ্তরের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, কেএফসি, পিৎজা হাট, বাটা সহ অন্তত এক ডজন প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ইতিমধ্যে দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত চলছে, এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) এডিসি আহসান হাবিব জানিয়েছেন, কেএফসি ও বাটা শোরুমে হামলার ঘটনায় পুলিশ ৩১ জনকে আটক করেছে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে বাকিদের শনাক্তের কাজ চলছে।
গতকাল সন্ধ্যায় খুলনার ময়লাপোঁতা ও শিববাড়ী এলাকায় অবস্থিত কেএফসি, ডোমিনোজ পিৎজা ও বাটা শোরুমে হামলা চালানো হয়। হঠাৎ করেই এই হামলা হয়, বলে জানান সোনাডাঙ্গা থানার ওসি শফিকুল ইসলাম।
সিলেট কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক শামসুল হাবিব জানিয়েছেন, বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় অন্তত ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। আরও কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে, যাদের নাম–পরিচয় যাচাই–বাছাই চলছে।
গতকাল সিলেট নগরজুড়ে ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে বিক্ষোভ হয়। বিকেলে মিরবক্সটুলা এলাকায় কেএফসি, এরপর বাটা, ইউনিমার্ট, আলপাইন রেস্তোরাঁসহ প্রায় ১০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়।
গাজীপুরের গাছা থানার পরিদর্শক মেহেদী জানিয়েছেন, বাটার শোরুমসহ তিনটি রেস্টুরেন্টে হামলার ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন:
গতকাল বোর্ডবাজার এলাকায় প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষের অংশগ্রহণে প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিল শেষে উত্তেজিত জনতা বাটা শোরুম ও কয়েকটি রেস্টুরাঁয় ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।
পুলিশ জানিয়েছে, ছবি ও ভিডিও ফুটেজ দেখে অপরাধীদের শনাক্ত করে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বিভিন্ন মামলার আসামিরাও গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে।