ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রে জন্মহার বৃদ্ধি ও বিবাহপ্রথাকে পুনরুজ্জীবিত করতে একাধিক কর্মসূচি চালু করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে লিবারেলিজমের ধাক্কায় পরিবার ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ভেঙে পড়েছে। ফলে, জন্মহার আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় এখন নিজেদের দেশেই পরিবার ও সন্তান ধারণে উৎসাহিত করার উদ্যোগ নিতে বাধ্য হয়েছে তারা।
কিন্তু একই সময়, বিশেষ করে মুসলিম দেশগুলোতে, জন্মনিয়ন্ত্রণসহ নানা প্রকল্পের মাধ্যমে পরিবার ও সমাজব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা চলমান। প্রশ্ন উঠেছে—একদিকে নিজেদের পরিবার রক্ষার চেষ্টা, অন্যদিকে আমাদের পরিবার-সমাজ ভাঙার ষড়যন্ত্র—এ কেমন দ্বিমুখী নীতি?
বাংলাদেশে সম্প্রতি গঠিত নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনাগুলো নিয়েও দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে পরিচালিত এই কমিশন মুসলিম পারিবারিক আইন পরিবর্তন করে পশ্চিমা ধাঁচের “অভিন্ন পারিবারিক আইন” চাপিয়ে দিতে চায়, যা আমাদের সমাজের মূল ভিত্তিকেই আঘাত করবে।
ড. ইউনূস নাকি বলেছেন, যত দ্রুত সম্ভব এই সংস্কার প্রস্তাবের যেসব বিষয় বাস্তবায়ন সম্ভব, তা কার্যকর করতে হবে। এমনকি, প্রস্তাবনাগুলোকে পাঠ্যবইয়ের মতো বই আকারে ছাপিয়ে ছড়িয়ে দিতে হবে।
সমাজ বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, এই ধরনের সংস্কার প্রস্তাব আসলে একটি বৃহত্তর নীলনকশার অংশ, যার লক্ষ্য আমাদের সমাজ, পরিবার ও ধর্মীয় মূল্যবোধকে ধ্বংস করা। তারা মনে করছেন, সময় এসেছে দেশের মানুষকে সচেতন হয়ে নিজেদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার জন্য সংগঠিত হওয়ার।