সম্প্রতি একের পর এক শাতিম (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে অবমাননাকারী) ব্যক্তি ও গোষ্ঠী প্রকাশ্যে ইসলামের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করছে। তাদের কটূক্তি সরাসরি আঘাত করছে মুসলমানদের ঈমানি আবেগে। এসব ঘটনায় সাধারণ মুসলিম জনতা ফুঁসে উঠছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। তরুণরা প্রতিবাদের ডাক দিচ্ছে — কিন্তু ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলো আশ্চর্যজনকভাবে নীরব।
যারা নিজেদের “ইসলামী দল” বলে পরিচয় দেয় — যেমন খেলাফত মজলিস, চরমোনাইপন্থী ইসলামী আন্দোলন, জামায়াতে ইসলামী, আরো অন্যান্য ইসলামী দল— তারা নানা রাজনৈতিক ইস্যুতে বিবৃতি দিতে দেরি করে না। কিন্তু যখন প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অবমাননার প্রশ্ন আসে, তখন তাদের কণ্ঠে নিস্তব্ধতা। তাদের ফেসবুক পেইজ, ওয়েবসাইট বা গণমাধ্যমে এ নিয়ে কোনো দৃশ্যমান অবস্থান চোখে পড়ে না।
এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন তুলছে সচেতন মুসলিমরা — যারা ইসলামের নামে রাজনীতি করে, তারা কি আদৌ ইসলামকে প্রতিনিধিত্ব করে? নবীর ইজ্জত যেখানে প্রশ্নে, সেখানে যারা চুপ থাকে, তাদের ‘ইসলামী দল’ বলার বৈধতা কতটুকু?এটা কি কৌশল? নাকি বিশ্বাসহীনতা?