আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইসরায়েলের সাম্প্রতিক বিমান হামলায় নিহত ইরানি সামরিক কর্মকর্তাদের মৃত্যুর প্রতিক্রিয়ায়, ইরান শুরু করেছে বহুল প্রতীক্ষিত পালটা প্রতিশোধ অভিযান, যার কোডনেম—“কঠিন সাজা” (Tough Punishment)।
ইরান জানায়, ইসরায়েল যে হামলা চালিয়েছে, তা ছিল সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণার সামিল। সে কারণে এই পালটা আক্রমণ ছিল “আল্লাহর পক্ষ থেকে ন্যায্য শাস্তি”।
শনিবার রাতে ইরান একযোগে ১০০টিরও বেশি ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে ইসরায়েলের অভ্যন্তরে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (IDF) জানায়, এই আক্রমণ ছিল “গত কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম ভয়াবহ বহুমাত্রিক হামলা”।
হামলার মূল লক্ষ্য ছিল:
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি বলেন,
“ইসরায়েল আমাদের সেনাদের রক্ত ঝরিয়েছে — এবার তাদের বুঝতে হবে, সেই রক্ত অমূল্য ছিল না।“
তিনি আরও বলেন, এই প্রতিশোধ হবে “ব্যথাদায়ক ও জ্বলন্ত”।
এ হামলার মাধ্যমে নিহত হয়েছেন ইরানের তিনজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা, যার মধ্যে রয়েছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড (IRGC)-এর একটি বিমান ঘাঁটির কমান্ডারও।
এই ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে তৈরি হয়েছে চরম উদ্বেগ।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই হামলার পরিণতি হবে দীর্ঘমেয়াদে ভয়াবহ। ইসরায়েল-ইরান উত্তেজনা যদি সরাসরি যুদ্ধে রূপ নেয়, তবে এর প্রভাব পড়বে গোটা মধ্যপ্রাচ্য, এমনকি বিশ্ব রাজনীতিতে।