গাজা থেকে প্রতিদিন শত শত ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হচ্ছে, ইরান চালাচ্ছে পালটা হামলা — তবুও ইসরায়েলের হতাহতের সংখ্যা কেন এত কম?
এই প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বারবার ঘুরে ফিরে আসছে। তবে এর পেছনে রয়েছে প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি, সুরক্ষা অবকাঠামো এবং কঠোর তথ্যনিয়ন্ত্রণ।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা নীতিমালা অনুযায়ী, নতুন তৈরি প্রতিটি ভবনের নিচে অবশ্যই বাংকার বা শেল্টার থাকতে হবে।
এই বাংকারগুলো মিসাইল হামলা, বোমাবর্ষণ ও বিস্ফোরণের সময় আশ্রয়ের জন্য ব্যবহার হয়।
যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হলে সাইরেন বাজে, এবং সাধারণ মানুষ তড়িঘড়ি করে সেই বাংকারে আশ্রয় নেয়।
ফলে সরাসরি আক্রমণের মাঝেও বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
তবে এর বাইরেও রয়েছে আরেকটি বাস্তবতা।
ইসরায়েল কখনোই তাদের প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করে না।
এর বদলে—
ফলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে যা দেখা যায়, তা অনেক ক্ষেত্রেই একতরফা সরকারি তথ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইসরায়েল তাদের দেশের জনগণের মনোবল রক্ষায় “ক্ষয়ক্ষতির খবর নিয়ন্ত্রণে” কৌশলী পদ্ধতি অনুসরণ করে।
এতে যেমন জনসচেতনতা কমে, তেমনি আন্তর্জাতিক সহানুভূতির প্রভাব বাড়ে।
অন্যদিকে, বেসামরিক হতাহতের খবর প্রকাশে বাধা দেওয়ায় মানবাধিকার প্রশ্নেও সমালোচনা চলছে।