1. salmanahmedbijoy66@gmail.com : TBN Desk 4 : TBN Desk 4
  2. sjundulla@gmail.com : TBN Desk 6 : TBN Desk 6
  3. mds436634@gmail.com : TBN Desk 7 : Muhammad Abdul Azeem
  4. islammdriajul046@gmail.com : Md. Riajul Islam : Md. Riajul Islam
  5. smmehedi2022@gmail.com : TBN Desk 3 : TBN Desk 3
  6. mimsuhail2@gmail.com : Mim Suhail : Mim Suhail
  7. necharlenovo@gmail.com : TBN Desk : TBN Desk
  8. editor@thebengalnews24.com : The Bengal News : The Bengal News
  9. voiceofbengal313@gmail.com : Voice of Bengal : Voice of Bengal
  10. sabidahmed5457@gmail.com : TBN Desk 5 : TBN Desk 5
  11. arafattanvir12345@gmail.com : TBN Desk 1 : TBN Desk 1
ঢাকায় জাতিসংঘের দূত হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন রিচার্ড হাওয়ার্ড, যিনি একজন সমকামি — সঙ্গে আনতে চান তার পার্টনারকেও
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বাউফলে জামায়াতের নির্বাচনী মিছিলে হামলা, নারীসহ অন্তত ২৫ জন আহত জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক: বঙ্গভবনের সহকারী প্রোগ্রামার ছরওয়ারে আলম আটক আওয়ামীপন্থী ফ্যাসিস্টদের নিয়ে সালাহউদ্দিন আম্মারের অবস্থান ঘিরে প্রশ্ন ও আম্মারের জবাব এপস্টিন ফাইলসে বিস্ফোরক অভিযোগ: প্রকাশ পেলো মানবাধিকারের বুলি আওরানো বিশ্বনেতাদের অন্ধকার অধ্যায় আফগানের দাসপ্রথা নিয়ে মিথ্যা নিউজের পর আলোচনায় এপস্টিন ফাইলস। ইসলামি আমিরাতের সদ্য প্রকাশিত দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধের শাস্তির তালিকা প্রকাশ আফগানিস্তানের নতুন ফৌজদারি আইন নিয়ে গণমাধ্যমে প্রচার হয়েছে মিথ্যা তথ্য টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ: নাইকোকে ৪২ মিলিয়ন ডলার জরিমানার নির্দেশ আন্তর্জাতিক আদালতের মুফতি আব্দুল্লাহ মায়মূনকে ডিটেনশনের অভিযোগ, জামিন কার্যকরের পর নিখোঁজের দাবি মজলুমদের পাশে দাঁড়াতে দান-সাদাকাহর আহ্বান: বৈষম্যহীন কারামুক্তি আন্দোলন

ঢাকায় জাতিসংঘের দূত হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন রিচার্ড হাওয়ার্ড, যিনি একজন সমকামি — সঙ্গে আনতে চান তার পার্টনারকেও

TBN Desk
  • প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই, ২০২৫
  • ২১৮ Time Views

TBN desk | প্রকাশিত: ৩ জুলাই ২০২৫

জাতিসংঘের এক সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত বাংলাদেশে কূটনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে। জানা গেছে, জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ঢাকায় পরবর্তী আবাসিক সমন্বয়ক হিসেবে একজন ঘোষিত সমকামী কূটনীতিক রিচার্ড এস হাওয়ার্ড-কে নিয়োগ দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি পাপুয়া নিউগিনিতে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি তার সমলিঙ্গ পার্টনারসহ বাংলাদেশে আসতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, যা ইতোমধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাঝে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।

সূত্র মতে, জাতিসংঘ সদর দপ্তর থেকে বাংলাদেশ সরকারের কাছে রিচার্ড হাওয়ার্ডের অ্যাগ্রিমো (কূটনৈতিক স্বীকৃতি) চাওয়া হয়েছে। তবে, বাংলাদেশের সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতায় একজন সমকামী প্রতিনিধিকে ঢাকায় পাঠানো অত্যন্ত বিতর্কিত সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।

 

বাংলাদেশ কি ‘এলজিবিটি প্রচারণা’র পরীক্ষাগার হতে যাচ্ছে?

বিশ্লেষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, একজন ঘোষিত সমকামী কূটনীতিক যদি জাতিসংঘের প্রতিনিধি হয়ে বাংলাদেশে আসেন, তাহলে তা দেশের মুসলিমপ্রধান সমাজব্যবস্থায় মারাত্মক সামাজিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। অনেকেই বলছেন, এই নিয়োগের মাধ্যমে জাতিসংঘ একপ্রকার ‘এলজিবিটি স্বাভাবিকীকরণ’ কৌশল প্রয়োগ করতে চায় — যেটা বাংলাদেশের জনগণের ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে একেবারেই সাংঘর্ষিক।

 

বিশেষজ্ঞ মতামত

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. এম শহীদুজ্জামান বলেন, “বাংলাদেশের মতো একটি ইসলামি সংস্কৃতিপরায়ণ রাষ্ট্রে এই ধরণের বিতর্কিত ব্যক্তি নিয়োগ দেওয়া খুবই অসংবেদনশীল কাজ। এটা শুধু আমাদের সামাজিক মূল্যবোধের উপর আঘাত নয়, বরং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতাকেও হুমকির মুখে ফেলতে পারে।”

 

তিনি আরও বলেন, “জাতিসংঘের উচিত অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত বাতিল করা। অন্যথায় বাংলাদেশ সরকারকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে হবে — এই ধরনের অনৈতিক সংস্কৃতি আমরা আমদানি করব না।”

 

কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সিনিয়র কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। দেশের জনগণ এই ধরনের নিয়োগ সহজভাবে নেবে না। আমাদের বিশ্বাস, জাতিসংঘ যদি বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখতে চায়, তবে এ ধরনের উস্কানিমূলক ও বিতর্কিত নিয়োগ এড়িয়ে চলা উচিত।”

 

বাংলাদেশে সমকামিতা বৈধ নয়

বাংলাদেশের দণ্ডবিধি অনুযায়ী, সমকামিতা অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ এবং ধর্মভিত্তিক দলসমূহ এই বিষয়টিকে শুধু সামাজিক নয়, ধর্মীয় অবক্ষয় হিসেবে দেখে থাকে। এ অবস্থায়, জাতিসংঘের মতো একটি সংস্থা এমন এক প্রতিনিধি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব ও সামাজিক স্থিতিশীলতার প্রতি অসম্মান দেখিয়েছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

 

‘আমেরিকা ও পশ্চিমা প্রভাবের কৌশল?’

বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে — এ কি কেবল নিয়োগ নাকি পশ্চিমাদের দীর্ঘমেয়াদি একটি সমাজবিনির্মাণের পরিকল্পনা? বাংলাদেশে সমকামিতার মতো অস্বাভাবিক বিষয় ঢুকিয়ে একপ্রকার মূল্যবোধগত ধ্বংস-প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে কি না, তা নিয়েও জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে।

 

বাংলাদেশের জনগণের বিশ্বাস ও মূল্যবোধের পরিপন্থী কোনো কিছুই সমাজে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক নয়। জাতিসংঘের উচিত হবে জনগণের আবেগ ও দেশের আইনি কাঠামোর প্রতি সম্মান দেখানো। বাংলাদেশের সরকার এবং জনগণের উচিত এখনই এ বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করা — আমরা এলজিবিটি এজেন্ডা চাই না, আমাদের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধেই আমাদের সম্মান।

 

 

Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© 2026, All rights reserved | TBN
Developed by ItNex BD