এনসিপির উপর হামলা পরবর্তীতৈ সহিংসতা দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলি ও লাঠিচার্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন আওয়ামীলীগের ৫ জন নিহত, ২০ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত ২০০ শতাধিক
বুধবার এনসিপির নেতাদের জুলাই পদযাত্রার অংশ হিসেবে গোপালগঞ্জে নাহিদ, সারজিস ও হাসনাতরা পদযাত্রা শেষে বক্তব্য স্থলে যেতে গেলে আগে থেকেই আওয়ামী ও অঙ্গসংগঠনগুলো তা প্রতিরোধের ঘোষণা দেয়। তার অংশ নেতাকর্মী ও সমর্থকরা সমাবেশ বাধা বাধা প্রদান ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা চালায় এনসিপির নেতা কর্মীদের উপর।
খবর পেয়ে পুলিশ ও এপিবিএন সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। এই এনসিপি নেতাদের এসপি ভবনে পুলিশ সুপারের নিরাপত্তায় রাখা হয়। ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী এসে পৌঁছলে সংঘর্ষ আরো তীব্র আকার ধারণ করলে সেনাবাহিনী গুলি চালায়। এতে সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আওয়ামী সন্ত্রাসী নেতা দীপ্ত সাহাসহ ৫ জন সন্ত্রাসী প্রাণ হারায় ও গুলিবিদ্ধসহ আহত হয় ২০০ শতাধিক। তাদের বেশিরভাগই গোপালগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এইসময় এনসিপির নেতাদের সেনাবাহিনীর এপিসি বহরে করে গোপালগঞ্জ ছাড়তে দেখা যায়।
সহিংসতা চলাকালীন গোপালগঞ্জ কারাগারেও হামলা চালায় সন্ত্রাসী এই সংগঠনের সদস্যরা। যেখানে দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ টেটা ব্যবহার করতে দেখা যায়। বর্তমানে সেখানে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। কারফিউ জারি করা হয়েছে। যা বুধবার রাত ৮ থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত থাকবে। ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে এবং সেনাবাহিনী, পুলিশ ও এপিবিএনের যৌথ টহল চলছে।
সূত্র : গোপালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের
স্টাফ রিপোর্টার সাবিদ আহমাদ