দা বেঙ্গল নিউজ | ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি | এম এইচ এম
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার হরিহরপুর গ্রামের দ্বীপু রায় হাজি মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজের এক ছাত্র দীর্ঘদিন ধরে মুসলিম কলেজ ছাত্রীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলেই পরিত্যাগ করাকে প্রধান হাতিয়ার বানিয়েছিল। তবে কথায় আছে, “চোরের দশ দিন, মালিকের এক দিন।” এবার সেই দীপুরাই নিজেই ধরা খেল।
সম্প্রতি ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের এক ছাত্রীকে প্রেমের সম্পর্কের ফাঁদে ফেলে ধর্ম পরিবর্তনের আশ্বাস দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে দীপু রায়। কথামতো মুসলিম হয়ে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিলেও শেষ পর্যন্ত সে প্রতারণা করে। সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর ছাত্রীর অভিযোগে চলতি মাসেই থানা আদালতে তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের হয়। মামলার পর দীপুরাই উল্টো ওই ছাত্রী ও তার পরিবারকে হত্যার হুমকি দেয় এবং বাড়িতে গিয়েও হামলার চেষ্টা করে।
পরবর্তীতে বিষয়টি এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করে। নবীজী হযরত মুহাম্মদ ﷺ-কে কটুক্তির দায়ে বৃহস্পতিবার রাতে এলাকাবাসী বিক্ষোভে ফেটে পড়ে এবং দীপুরাইয়ের দ্রুত গ্রেপ্তার দাবি করে। সেসময় পুলিশ আশ্বাস দিয়েছিল ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের, তবে তারা ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দীপুরাইকে আটক করে।
এদিকে শুক্রবার দুপুরে দীপুরাইয়ের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে স্থানীয় মুসল্লিরা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। সেখানে উপস্থিত থাকেন সদর থানার ওসি। তিনি ন্যায়বিচারের আশ্বাস দিলে মুসল্লিরা কর্মসূচি স্থগিত করেন।
তবে এলাকাবাসীর প্রশ্ন রয়ে গেছে— “ধর্মীয় প্রলোভনে ফেলে মেয়েদের সর্বনাশ করা দীপুরাইয়ের মতো লম্পটদের আসলেই কি বিচার হবে?”
সূত্র- আজকের বালিয়াডাঙ্গী






