আওয়ামীপন্থীদের নিয়ে সালাহউদ্দিন আম্মারের অবস্থান ঘিরে প্রশ্ন ও বিতর্ক
ডেস্ক রিপোর্ট | রাজনীতি
আওয়ামীপন্থীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অবস্থান ও বক্তব্য দেওয়ায় আলোচনায় থাকা সালাহউদ্দিন আম্মারকে ঘিরে সম্প্রতি নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। “আওয়ামীপন্থীদের নিয়ে তার এত মাথাব্যথা কেন?”—এমন প্রশ্নের জবাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি ও আবেগঘন অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আম্মার তার পোস্টে লেখেন, শহীদ সাকিব আঞ্জুমের মা সেদিন তার অফিসে এসেছিলেন। সাক্ষাৎ শেষে হাসিমুখে বিদায় নেওয়ার পর তিনি নিজের কাজে মন দেন। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই বাইরে থেকে হাউমাউ করে কান্নার শব্দ শুনে দ্রুত বেরিয়ে আসেন।
তার ভাষ্যমতে, অফিসের দরজার পাশে সাংস্কৃতিক বিভাগের জন্য প্রস্তুত করা শহীদ সাকিব আঞ্জুমের একটি ছবি ধরে অঝোরে কাঁদছিলেন তার মা। সেই দৃশ্য তাকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। তিনি লেখেন, “এই অবস্থায় কী জবাব দেওয়া যায়?”
বিচার নিয়ে শঙ্কা
পোস্টে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রশ্ন তোলেন—
নতুন সরকার এলে কি সব আগের মতোই চলবে?
আওয়ামীপন্থীদের শোষণ ও দমন-পীড়নের কোনো বিচার কি আদৌ হবে?তিনি অভিযোগ করেন, জুলাই আন্দোলনে শহীদ সাকিব আঞ্জুমের সর্বশেষ ক্যাম্পাস ছিল বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়। অথচ ৫ আগস্টের পর সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খাদেমুল ইসলাম মোল্লা—যিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন বলে তার দাবি।
সালাহউদ্দিন আম্মার লিখেছেন, “জুলাইয়ের শহীদের ক্যাম্পাসের ভিসি যদি জুলাইয়ের আন্দোলনবিরোধী হন, তাহলে ন্যায়বিচার কোথায়?”
আবেগঘন প্রতিক্রিয়া
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ছবিটি তুলেছেন তানজিম বাবু। ছবিটি দেখার পর থেকে নিজেকে ভীষণ অসহায় মনে হয়েছে বলেও লেখেন তিনি। তার ভাষায়, এই অসহায়ত্বই তাকে প্রশ্ন করতে বাধ্য করেছে—খুন ও দমন-পীড়নের সঙ্গে জড়িতদের বিচার আদৌ হবে কি না।
মূল প্রশ্ন
সালাহউদ্দিন আম্মারের এই পোস্টকে কেন্দ্র করে তার সমর্থকদের দাবি, আওয়ামীপন্থীদের নিয়ে তার “মাথাব্যথা” আসলে ব্যক্তিগত নয়; বরং শহীদ পরিবারগুলোর বিচারহীনতার আর্তনাদ থেকেই এই অবস্থান।
https://shorturl.fm/VdiWR
https://shorturl.fm/MJN3P
https://shorturl.fm/IkfHV
https://shorturl.fm/ayjQJ
https://shorturl.fm/l7YbI