1. salmanahmedbijoy66@gmail.com : TBN Desk 4 : TBN Desk 4
  2. sjundulla@gmail.com : TBN Desk 6 : TBN Desk 6
  3. mds436634@gmail.com : TBN Desk 7 : Muhammad Abdul Azeem
  4. islammdriajul046@gmail.com : Md. Riajul Islam : Md. Riajul Islam
  5. smmehedi2022@gmail.com : TBN Desk 3 : TBN Desk 3
  6. mimsuhail2@gmail.com : Mim Suhail : Mim Suhail
  7. necharlenovo@gmail.com : TBN Desk : TBN Desk
  8. editor@thebengalnews24.com : The Bengal News : The Bengal News
  9. voiceofbengal313@gmail.com : Voice of Bengal : Voice of Bengal
  10. sabidahmed5457@gmail.com : TBN Desk 5 : TBN Desk 5
  11. arafattanvir12345@gmail.com : TBN Desk 1 : TBN Desk 1
বান্দরবানে আরাকান আর্মির 'জলকেলি উৎসব': সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সরাসরি চ্যালেঞ্জবান্দরবান
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বাউফলে জামায়াতের নির্বাচনী মিছিলে হামলা, নারীসহ অন্তত ২৫ জন আহত জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক: বঙ্গভবনের সহকারী প্রোগ্রামার ছরওয়ারে আলম আটক আওয়ামীপন্থী ফ্যাসিস্টদের নিয়ে সালাহউদ্দিন আম্মারের অবস্থান ঘিরে প্রশ্ন ও আম্মারের জবাব এপস্টিন ফাইলসে বিস্ফোরক অভিযোগ: প্রকাশ পেলো মানবাধিকারের বুলি আওরানো বিশ্বনেতাদের অন্ধকার অধ্যায় আফগানের দাসপ্রথা নিয়ে মিথ্যা নিউজের পর আলোচনায় এপস্টিন ফাইলস। ইসলামি আমিরাতের সদ্য প্রকাশিত দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধের শাস্তির তালিকা প্রকাশ আফগানিস্তানের নতুন ফৌজদারি আইন নিয়ে গণমাধ্যমে প্রচার হয়েছে মিথ্যা তথ্য টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ: নাইকোকে ৪২ মিলিয়ন ডলার জরিমানার নির্দেশ আন্তর্জাতিক আদালতের মুফতি আব্দুল্লাহ মায়মূনকে ডিটেনশনের অভিযোগ, জামিন কার্যকরের পর নিখোঁজের দাবি মজলুমদের পাশে দাঁড়াতে দান-সাদাকাহর আহ্বান: বৈষম্যহীন কারামুক্তি আন্দোলন

বান্দরবানে আরাকান আর্মির ‘জলকেলি উৎসব’: সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সরাসরি চ্যালেঞ্জবান্দরবান

TBN Desk
  • প্রকাশিত সময় : সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৭১ Time Views

বান্দরবানের থানচি উপজেলার তিন্দু ইউনিয়নের রেমাক্রি মুখ এলাকায় মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী সংগঠন আরাকান আর্মি (AA) এবং তাদের রাজনৈতিক শাখা ইউনাইটেড লিগ অব আরাকান (ULA) এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ‘আরাকা ওয়াটার ফেস্টিভাল’ নামে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ১৬ ও ১৭ এপ্রিল দুই দিনব্যাপী এই উৎসব বাংলাদেশ ভূখণ্ডের প্রায় ১০ কিলোমিটার ভেতরে, রেমাক্রি জলপ্রপাত এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়।

এই ‘জলকেলি উৎসবে’ আরাকান আর্মির ইউনিফর্মধারী ও অস্ত্রধারী সদস্যরা প্রকাশ্যে অংশ নেয়, মঞ্চে পারফর্ম করে এবং বক্তৃতা দেয়। মঞ্চজুড়ে ছিল ইউএলএ ও আরাকান আর্মির পতাকা ও প্রতীক। এই আয়োজনের ভিডিও ও ছবি আরাকান আর্মির সামাজিক মাধ্যম অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করা হয়, যা দ্রুত সারা দেশে নীতিনির্ধারক ও বিশ্লেষকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করে।

স্থানীয় অংশগ্রহণ ও বিজিবির নিষ্ক্রিয়তা

উৎসবে স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। কিছু জনপ্রতিনিধি ও তাদের সমর্থকদের নির্দিষ্ট পোশাকে অংশ নিতে দেখা যায়—যার প্রমাণ হিসেবে ভিডিওতে এক ব্যক্তির গায়ে ‘মেম্বার পরিবার’ লেখা টি-শার্টের উপস্থিতি দৃশ্যমান।
ভিডিওতে দেখা যায়, বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও তারা কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করেননি।

বিজিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা “শান্তি ও জাতীয় নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য” সেখানে অবস্থান নিয়েছিলেন। তবে প্রশ্ন উঠছে—এই ‘নিষ্ক্রিয়তা’ কি সামর্থ্যহীনতা, নাকি উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রতিফলন?

সাংস্কৃতিক উৎসব না ‘সার্বভৌম মহড়া’?

ঘটনার গভীরে গেলে এটি নিছক একটি সাংস্কৃতিক উৎসব নয়, বরং অনেকেই একে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে আরাকান আর্মির একটি প্রতীকী ‘সার্বভৌম মহড়া’ হিসেবে দেখছেন।
অনুষ্ঠানজুড়ে দেওয়া বক্তৃতাগুলোতে বারবার উল্লেখ করা হয়, “এই ঐতিহাসিক উৎসব আরাকান আর্মির সহায়তায় সফলভাবে আয়োজিত হয়েছে,” এবং “আমরা এখন স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারছি।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের বক্তব্য কেবল সাংস্কৃতিক বা আবেগপ্রবণ বার্তা নয়—এটি আদর্শিক, রাজনৈতিক এবং সামরিকভাবে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে এক সরাসরি চ্যালেঞ্জ।

বিদেশী সশস্ত্র গোষ্ঠীর উপস্থিতি: আইনি ও নিরাপত্তাজনিত প্রশ্ন

একটি স্বাধীন দেশের ভূখণ্ডে বিদেশী সশস্ত্র গোষ্ঠীর পতাকা, পোশাক ও অস্ত্রের উপস্থিতি এবং স্থানীয় প্রশাসনের নীরবতা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের কর্তৃত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
এটি কেবল আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের বিষয় নয়, বরং একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার ওপর সরাসরি হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতিক্রিয়া

ঘটনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতিক্রিয়া।
এক রোহিঙ্গা নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “যারা আমাদের জাতিগত নিধনের জন্য দায়ী, তারা আজ বাংলাদেশে ঢুকে উৎসব করে, আর আমরা সেই ছবি দেখে কাঁদি।”
তিনি আরও বলেন, “এটা শুধু সীমান্ত সমস্যা নয়, এটা বাংলাদেশের মুসলিম পরিচয়, মানবাধিকার নীতি এবং আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তির বিরুদ্ধে এক স্পষ্ট চ্যালেঞ্জ।”

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা

ঘটনার গভীরে গিয়ে অনেক বিশেষজ্ঞই বলছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে গোপনে চলছে প্রশিক্ষণ, অস্ত্র সরবরাহ এবং সাংগঠনিক কাঠামো গঠনের প্রক্রিয়া। এখন সেই চেষ্টার প্রকাশ্য বহিঃপ্রকাশ হলো রেমাক্রি উৎসব।
এতে স্পষ্ট যে, পার্বত্য চট্টগ্রামে আরাকান আর্মির সহায়তায় একটি ‘সশস্ত্র ছায়া-রাষ্ট্র’ গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

একজন বিশ্লেষকের মতে, “২০২৫ সালের রেমাক্রি উৎসব ছিল প্রতীকী স্বাধীনতার ঘোষণা। বাংলাদেশ যদি এখনই কঠোর ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে আমরা দেখতে পারি স্বাধীনতা-পরবর্তী ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ বিদ্রোহ ও বিভাজন।”

রেমাক্রিতে অনুষ্ঠিত এই জলকেলি উৎসব কেবল একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়। এটি বাংলাদেশ রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব, নিরাপত্তা এবং অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে বহুমাত্রিক হুমকির প্রতীক হয়ে উঠেছে।
এখন সময় এসেছে, এই ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ইস্যু হিসেবে বিবেচনা করে কার্যকর ও সুদূরপ্রসারী পদক্ষেপ গ্রহণ করার।

Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© 2026, All rights reserved | TBN
Developed by ItNex BD