বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন এক মোড় নিয়েছে। রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (১২ মে) অনুষ্ঠিত কমিশনের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ সিদ্ধান্তের কথা জানান সাংবাদিকদের।
তিনি জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের আলোকে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
এর আগে, একই দিন সরকার এক প্রজ্ঞাপন জারি করে জানায়, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ, সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ। বিচারের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। প্রজ্ঞাপনটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের রাজনৈতিক শাখা-২ থেকে জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত —
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, “আওয়ামী লীগ যাতে কোনও রাজনৈতিক কার্যক্রম না করতে পারে, সেজন্য সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।” যদি কেউ অবৈধভাবে মিছিল বা কর্মসূচি পালন করে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে, বলেও তিনি সতর্ক করেন।
উল্লেখ্য, গত শনিবার সরকারের পক্ষ থেকে প্রথম সিদ্ধান্ত আসে যে, বিচারকার্য শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে।
এই সিদ্ধান্তে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার ঝড় উঠেছে।
এই স্থগিতাদেশ এবং নিষেধাজ্ঞা রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে চলছে জোর জল্পনা।